সর্বশেষ

10/recent/ticker-posts

আর করোনার টিকা নেয়া লাগবে না

 আর করোনার টিকা নেয়া লাগবে না

https://alfursanskyteam.blogspot.com

রুশ পর্যবেক্ষক সংস্থা।

করোনার টিকা আর নেয়া লাগবে না বলে জানিয়েছে রাশিয়ার সরকারি একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা। তারা বলছে, এক সময় বিশ্বজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করলেও করোনাভাইরাস এখন আর মারণঘাতী নয়। তাই এর টিকাও আর জরুরি নয়।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ভোক্তা অধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা ও কর্তৃপক্ষ রোসপোতরেবনাদজরের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রধান ডা. আনা পোপোভা এক সাক্ষাৎকারে করোনার টিকা বিষয়ক এসব নির্দেশনা দিয়েছেন।
তবে কোনো এলাকায় নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে ওই এলাকার বাসিন্দাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে বলেও জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয় প্রাণঘাতী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস, যা বিশ্বে করোনাভাইরাস নামে পরিচিতি পায়।
করোনায় প্রথম মৃত্যুও হয় চীনে। করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে করোনা মহামারির পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭০ কোটি ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯০ জন।
করোনায় মারা গেছেন ৬৯ লাখ ৭০ হাজার ৭১৮ জন এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৭ কোটি ২৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৪১ জন। এখনও প্রতিদিন অনেক মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে এটি এখন এটির মারণক্ষমতা কমে গেছে।
রাশিয়ার বেতার সংবাদমাধ্যম রোশিয়া ২৪-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পোপোভা বলেন,
"মহামারির শুরুর দিকে করোনাভাইরাসের যে প্রাণঘাতী ক্ষমতা ছিল, এখন আর তা নেই। গত ৩-৪ বছরে মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে অজস্র কোটিবার সংক্রমিত হতে হতে সেই ক্ষমতা প্রায় হারিয়েছে ভাইরাসটি।"
"এক সময়ের প্রাণঘাতী করোনা এখন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা শীতকালীন সর্দি-জ্বর পর্যায়ের রোগে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে। গত বছর আমরা দেখেছি যে শীতের সময় এই রোগটির প্রাদুর্ভাব ঘটে, আবার শীত কমে গেলে সেই প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে কেটেও যায়।"
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তাছাড়া আগে যেমন হতো…করোনায় আক্রান্ত হলেই মানুষজন ভয় পেতেন এবং হাসপাতালে ছুটে আসতেন; এখন সেই হারও অনেক কমে গেছে। বাজারে এখন করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধ মিলছে; তাই এখন করোনায় আক্রান্ত হলে লোকজন বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘এসব কারণে আমরা মনে করি, করোনা এখন একটি মৌসুমি রোগ এবং এটি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে টিকার আর প্রয়োজন নেই। তবে এখনও এটি শক্তিশালী, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষজন কিংবা যাদের উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস প্রভৃতি শারীরিক জটিলতা রয়েছে- তাদের জন্য। কিন্তু রোগটির প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সতর্কতা, স্বাস্থ্যবিধি এবং মুখে খাওয়ার ওষুধই সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য যথেষ্ট।’